আমার সোনার বাংলা
আমার সোনার বাংলা ÷÷÷÷÷÷ খস খস করে তারিখটা লিখে থামলেন তিনি। এবারে মূল বয়ানে যাবেন। সন্ধের দিকে মাথাটা পুরো ছিঁড়ে গেছিলো। সবকিছুর একটা সীমা আছে, নাকি! গতকাল ভোর ভোর মেসেজ ঢুকলো টুংটাং করে। বিছানা ছেড়ে বাথরুমে গেছেন শুধু। দু দুটো মেয়ে দূরে থাকে। ছেলে এমবিবিএস-পিজি হস্টেলে। টানা ১৮ ঘন্টা ডিউটি। বাড়ি কাছে হলেও আসার পারমিশন নেই। কী খবর এলো কেজানে? তড়িঘড়ি মোবাইল খুলেন। কাণ্ড দেখো! ভায়াগ্রার বিজ্ঞাপন এসেছে। এক্ষুণি জেনে নিতে বলছে এর আশ্চর্য ক্ষমতার কথা! সারা মেসেজ বক্সটা ভরা থাকেই ইনসিওরেন্স কোম্পানি, সেলফোনের অফার-প্যাকেজ, ইঞ্চি কিংবা কিলো গুণে মেদ, ওজন কমানো/ বাড়ানো, কবে কখন কোন বিশেষজ্ঞ কোথায় আসছেন, স্থানীয় মলগুলির রকমারি প্রডাক্ট, কী নেই রে বাবা! হোয়াটস অ্যাপে একটা ঝামেলা হয়েছে। ছেলে বাড়ি না ফিরলে ফের চালু করা মুশকিল। ঐ, কদিন ধরে, মেসেজ বক্সে চোখ রাখতে হয়। আর তখনই হাড়পিত্তি জ্বলে। শুধু মেসেজ! যখন তখন ফোন। খুব জরুরী কাজে মন দেবার উপায় আছে? প্রথমদিকে চট করে ফোন কেটে দিতে পারতেন না। ইদানিং কেটে দেন। বিশেষ একটা কারণ হলো, ফোনগুলি শুনলে...