করুণাঞ্জলি (বুক রিভিউ)

 " শিক্ষকতাই ছিল তোমার জীবনব্রত

শিক্ষকতায় প্রাণ করেছো দান

তুমি জেগে আছো সবার হৃদয়ে

তুমি আজ ও ভাস্বর আজ ও অম্লান।"

               ' করুণাঞ্জলি'

প্রধান শিক্ষক করুণা কান্ত চৌধুরী স্মারকগ্রন্থ

সম্পাদনা করেছেন উনার সুপুত্র কল্লোল চৌধুরী।

কল্লোল চৌধুরী বাংলা ইংরাজি দুই সাহিত্য জগতে এক উল্লেখযোগ্য নাম।

শিক্ষক করুণা কান্ত চৌধুরী ছিলেন শিক্ষা অন্ত প্রাণ।তাঁকে নিয়ে কলম ধরেছেন ডাঃ মনুজেন্দ্র শ্যম,রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, বজেন্দ্র কুমার সিংহ,উষা রঞ্জন ভট্টাচার্য...

প্রমোদ চন্দ্র নাথ,অঞ্জু এন্দো,তীর্থংকর দাশ পুরকায়স্থ এবং আর ও বিশিষ্ট জনেরা।

ইংরাজিতে ও অনেকে লিখেছেন।

" শিক্ষক মহাশয়ের কথা উঠলেই বা মনে পড়লেই মাথা ঝুঁকে যায় শ্রদ্ধায়।"

" হাইল্লাকান্দির প্রয়াত শিক্ষাবিদ করুণা কান্তি চৌধুরীর জীবন কথা ও কর্মকুশলতার কথা আজ ও উজ্জ্বল হয়ে আছে স্মৃতির পাতায়। মনে পড়ে তিনি শিক্ষক জীবন এমনভাবে কাটিয়েছেন তাঁর চিন্তনে মননে -কর্মজীবনে শিক্ষাদান -ছাত্র-সমাজ আর শিক্ষালয়ই ছিল শেষ কথা।"

১৯৮০ ইংরেজির ১লা জুলাই করুণা কান্ত চৌধুরী, হাইল্লাকান্দির ভি এম সরকারি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের কক্ষেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন,

আর ফেরে আসেন নি, চলে যান না ফেরার দেশে।

এই মৃত্যু থেকে আমাদের শিক্ষণীয় অনেক জিনিষ আছে।তাঁর জীবন,আদর্শ বহুল সম্প্রসারিত হোক।এমন একজন ব্যতিক্রমী শিক্ষককে নিয়ে লিখতে গর্ববোধ করছি।

সম্পাদক কল্লোল চৌধুরীকে অনেক ভালোবাসা এই অমূল্য বইটি উপহার দেবার জন্য।

প্রকাশক-নতুন দিগন্তিকা

প্রচ্ছদ - শান্তিকুমার সিংহ

উতসর্গ করেছেন- মা স্বর্গীয় রুনু চৌধুরীকে

পরিবেশক - বাতায়ন, শিলচর

ফোন- ৯৮৫৯৫২৮৭৯৮

বিনিময় - ২০০ টাকা

খুবই শক্তপোক্ত বাঁধাই, ঝক ঝকে কাগজ

বিঃদ্রঃ __বাবা -মাকে নিয়ে লিখতে হলে বইটি সংগ্রহে রাখুন, এটুকু বলতে পারি।

Comments

Popular posts from this blog

শিলচর মেডিকেল কলেজ